ভারত কিংবা আমিরাত নয়, এই দুই দেশে হতে পারে এবারের আইপিএল

বিসিসিআইয়ের আধিকারিকের ইঙ্গিত অনুযায়ী একথা স্পষ্ট যে, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না ঘটলে আসন্ন ২০২২ আইপিএলের আসর দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত হবে। সে ক্ষেত্রে বিসিসিআইয়ের নজরে রয়েছে শ্রীলঙ্কা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠ।

শ্রীলঙ্কা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে ভারতের সময়ের তারতম্য অনেকটাই একই রকম। আইপিএল ২০২২-এ দুটি নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজির সংযুক্তকরনে মোট ১০ দল নিয়ে আয়োজিত হবে আসর। তাছাড়া পুরনো ফ্র্যাঞ্চাইজি গুলোকে নতুন রূপে সাজিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করতে চলেছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। যা এই টুর্নামেন্টকে আরো উজ্জ্বল্য প্রদান করবে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আইপিএলের ১৫ তম আসর ভারতেই আয়োজন করতে চেয়েছিল। তবে সম্প্রতি ভারতের করোনার বাড়বাড়ন্ত রীতিমতো উদ্বেগ বাড়িয়েছে বিসিসিআইয়ের। গত বছরের তুলনায় এই বছর ভারতে করোনা আক্রান্ত হওয়ার হার অনেকটাই বেশি। যে কারণে ইতিমধ্যে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড বিকল্প উপায় খোজার প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

গত বছর ভারতে আইপিএলের আসর বসলেও করোনা পরিস্থিতির লাগামহীন বাড়বাড়ন্ততে মাঝপথেই টুর্নামেন্ট বন্ধ করতে হয় বিসিসিআইকে। তবে বছরের শেষে সেই টুর্নামেন্টের বাকি খেলাগুলো আয়োজন করা হয় সুদূর আরব আমিরাতে। তবে এবার ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আরব আমিরাতের বিকল্প খোঁজার প্রচেষ্টায় রয়েছে বলে জানা গেছে। বিসিসিআইয়ের এক উচ্চ আধিকারিক জানিয়েছেন, “আমরা শুধুমাত্র আরব আমিরাতের উপর নির্ভরশীল হয়ে থাকতে পারিনা।

আরব আমিরাতের বিকল্প দেশ হিসেবে আমাদের পরিকল্পনায় ইতিমধ্যে দুটি দেশ রয়েছে। যেখানে আমরা আইপিএলের আসর বসাতে পারি। যদিও ইতিপূর্বে শ্রীলংকার মাটিতে কখনো আইপিএল অনুষ্ঠিত হয়নি, তবে দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে আইপিএলের দ্বিতীয় (২০০৯) আসর বসেছিল।” বিসিসিআইয়ের আধিকারিকের ইঙ্গিত অনুযায়ী একথা স্পষ্ট যে, করোনা পরিস্থিতির উন্নতি না ঘটলে আসন্ন ২০২২ আইপিএলের আসর দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত হবে।

সে ক্ষেত্রে বিসিসিআইয়ের নজরে রয়েছে শ্রীলঙ্কা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মাঠ। শ্রীলঙ্কা এবং দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে ভারতের সময়ের তারতম্য অনেকটাই একই রকম। তাছাড়া আবহাওয়া গত দিক থেকে দুটি দেশই ভারতীয় ক্রিকেটারদের অনুকূলে। বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকা ভারতের বিপক্ষে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজ খেলছে। অ্যাশেজ সিরিজে করোনার বাড়বাড়ন্ত থাকলেও এখনও পর্যন্ত দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে দুই দলের কোনো ক্রিকেটারদের করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর মেলেনি।

সে ক্ষেত্রে আসন্ন আইপিএলের মেগা আসর দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে বসার সম্ভাবনা মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বলে মনে করছেন ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *