লখনৌকে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালে এক পা দিয়ে রাখলো বেঙ্গালুরু!

ডুপ্লেসি রানই করতে পারলেন না। বিরাট করলেন মাত্র ২৫ রান। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল আউট হলেন ৯ রান করে। সেই পিচেই শতরান পতিদারের। এ বারের আইপিএল থেকে বিদায় লখনউ সুপার জায়ান্টসের। ফাইনালে যাওয়ার থেকে আর এক ধাপ দূরে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোর।

বুধবার বেঙ্গালুরু ১৪ রানে হারাল লখনউকে। বৃষ্টির জন্য ৪০ মিনিট দেরিতে শুরু হওয়া ম্যাচে টস জিতে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন লোকেশ রাহুল। মহসিন খানদের গতিতে বিরাট কোহলীকে পরাস্ত করার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। কিন্তু ফ্যাফ ডুপ্লেসি, বিরাট কোহলীদের নিয়ে পড়াশোনা করে মাঠে নামা রাহুলদের সামনে কঠিন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ান রজত পতিদার। ৫৪ বলে ১১২ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। ১৯.১ ওভার ক্রিজে থাকেন পতিদার।

সাতটি ছয় এবং ১২টি চার দিয়ে সাজানো ছিল তাঁর ইনিংস। ইডেন তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করল পতিদারের খেলা। ডুপ্লেসি রানই করতে পারলেন না। বিরাট করলেন মাত্র ২৫ রান। গ্লেন ম্যাক্সওয়েল আউট হলেন ৯ রান করে। সেই পিচেই শতরান পতিদারের। শেষ বেলায় দীনেশ কার্তিকের ঝোড়ো ২৩ বলে ৩৭ রানের ইনিংস আরসিবি-র রান দুশো পার করতে বড় ভূমিকা নিল। যদিও ২০৭ রান তুলেও নিশ্চিন্ত ছিল না বেঙ্গালুরু শিবির।

তাঁরা জানতেন ইডেনের পিচে এই রান তাড়া করে জেতা সম্ভব। আর বিপক্ষ দলে যদি লোকেশ রাহুলের মতো ব্যাটার থাকেন তা হলে তো আরসিবি-র চিন্তার কারণ থাকবেই। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই কুইন্টন ডি’কককে হারায় লখনউ। মাত্র ৬ রান করে ফিরে যান তিনি। মনন ভোহরা শুরুটা ভাল করলেও ১৯ রানের বেশি করতে পারেননি। রাহুলকে সঙ্গ দেন দীপক হুডা। দু’জনে ৯৬ রানের জুটি গড়েন। তাঁদের জুটিই লখনউকে জয়ের রাস্তা দেখায়।

রাহুল ৭৯ রান করে আউট হতেই যদিও লখনউয়ের জয়ের আশা কমতে শুরু করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.