আইপিএলের প্লে-অফ বা ফাইনালে সেঞ্চুরি হাকিয়েছেন এই ৬ ব্যাটসম্যান

আইপিএলের লেভেল এতটাই উঁচুতে পৌঁছেছে যেখানে প্রতিটি দেশের তরুণ ও কিংবদন্তীরা খেলতে চায়। আইপিএল শুরু হওয়ার পর থেকে খুব কম খেলোয়াড়ই লীগের সাথে এখনো যুক্ত রয়েছেন। আইপিএলের প্রতিটি মরসুমেই নতুন খেলোয়াড়দের খেলতে দেখা যায়

যারা ভাল পারফর্ম করে পরবর্তী সংস্করনের জন্য খেলার সুযোগ পান। যাইহোক আইপিএলের প্রতিটি ম্যাচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে। বিশেষ করে প্লে-অফে অথবা ফাইনালে খেলোয়াড়রা নিজেদের সেরাটা দিতে চায়। এই পরিস্থিতিতে কোনোও ব্যাটসম্যান বড় স্কোর করে দলকে জেতানোর ক্ষেত্রে অনেক বড় ভূমিকা রাখে। এই প্রতিবেদনে এমন ৬ জন ব্যাটসম্যানের কথা বলা হয়েছে যারা প্লে-অফ অথবা ফাইনালে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন।

৬) জস বাটলার: ১০৬* রান
২০২২ আইপিএলের সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ব্যাটসম্যান জস বাটলার প্লে-অফে কোয়ালিফায়ার-২ ম্যাচের সময় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে একটি দুর্দান্ত সেঞ্চুরি হাঁকান। এটি ছিল তার এই মরসুমের চতুর্থ সেঞ্চুরি। এই ম্যাচে বাটলার ৬০ বলে ১০৬ রানে অপরাজিত থাকেন। তাঁর এই দুর্দান্ত ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৬টি ছক্কা। প্রথমে আরসিবি ব্যাট করে ১৫৭ রান তোলে। জবাবে বাটলারের দুরন্ত সেঞ্চুরিতে রাজস্থান রয়্যালস বেঙ্গালুরুকে হারিয়ে ফাইনালে প্রবেশ করে।

৫) রজত পাতিদার: ১১২* রান
চলতি আইপিএলের এলিমিনেটর ম্যাচে লখনৌ সুপার জায়ান্টস ও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু মুখোমুখি হয়েছিল। শুরুতেই আরসিবির অধিনায়ক ডুপ্লেসিস ফিরে গেলে ম্যাচের সমস্ত দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন রজত পাতিদার। শেষদিকে দীনেশ কার্তিক তাকে যোগ্য সঙ্গ দিতে সফল হন। পাতিদার ৫৪ বলে ১১২ রানে অপরাজিত থাকেন ও তার দলকে ২০৭ রানে নিয়ে যান। তার এই ইনিংসে সাজানো ছিল ১২টি চার ও ৭টি ছক্কা। জবাবে লখনৌ ১৯৩ রান তুলতে সক্ষম হয়।

৪) মুরলী বিজয়: ১১৩ রান
২০১২ সালে কোয়ালিফায়ার-২ ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংস ও দিল্লি ডেয়ারডেভিলস মুখোমুখি হয়েছিল। এই ম্যাচের চেন্নাইয়ের ওপেনার মুরলী বিজয় ৫৮ বলে ১১৩ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে দলকে ২২২ রানে নিয়ে যান। তার এই ইনিংসে সাজানো ছিল ১৫টি চার ও ৪টি ছক্কা। জবাবে দিল্লি মাত্র ১৩৬ রানে গুটিয়ে যায়।

৩) ঋদ্ধিমান সাহা: ১১৫ রান
২০১৪ আইপিএলের ফাইনালে কলকাতা নাইট রাইডার্স ও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব মুখোমুখি হয়েছিল। পাঞ্জাবের শুরুটা একেবারেই ভাল হয়নি। চার নম্বরে ব্যাটিং করতে নেমে ঋদ্ধিমান সাহা ৫৫ বলে ১১৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেছিলেন। যদিও কেকেআর দল ২০০ রানের টার্গেট নিয়ে ব্যাট করতে নেমে সফল হয়েছিল এবং তারা দ্বিতীয়বারের জন্য চ্যাম্পিয়ন হয়।

২) শেন ওয়াটসন: ১১৭* রান
২০১৮ আইপিএলের ফাইনালে চেন্নাই সুপার কিংস ও সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদ মুখোমুখি হয়েছিল। এই হাইভোল্টেজ ম্যাচে হায়দ্রাবাদ প্রথমে ব্যাট করে ১৭৮ রানের স্কোরকার্ড খাড়া করে। জবাবে চেন্নাই ধীরগতিতে শুরু করলেও শেন ওয়াটসনের ৫৭ বলে অপরাজিত ১১৭ রানের ইনিংসের ওপর ভর করে ম্যাচটি জয়লাভ করে। এর ফলে সিএসকে দল তৃতীয়বারের মতো চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল।

১) বীরেন্দ্র শেহবাগ: ১২২ রান
২০১৪ সালে কোয়ালিফায়ার-২ ম্যাচে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব ও চেন্নাই সুপার কিংস মুখোমুখি হয়। পাঞ্জাবের ওপেনার বীরেন্দ্র শেহবাগ মাত্র ৫৮ বলে ১২২ রানের একটি বিধ্বংসী ইনিংস খেলে তার দলকে ২২৬ রানে নিয়ে যান। তার ব্যাট থেকে আসে ১২টি চার ও ৮টি ছক্কা। জবাবে চেন্নাই মাত্র ২০২ রান করতে সক্ষম হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.