নেইমারকে দেখে ক্রোয়েশিয়া কেন চিন্তিত!!

রয় কিনের মতো কিছু কিছু প্রাক্তন ফুটবলার এই নাচকে বিপক্ষের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রকাশ বলে অভিহিত করেছেন। এ দিন তিতে ফের তার বিরোধিতা করলেন। একই সঙ্গে তিনি চিন্তিত ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণ নিয়ে।

শুক্রবার কোয়ার্টার ফাইনালে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে নামছে ব্রাজিল। আগের ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়াকে উড়িয়ে দেওয়ার পর সেলেকাওরা এখন মোটামুটি ছন্দে রয়েছে। তবে ম্যাচের আগে সাংবাদিক বৈঠকে এক বার হঠাৎই কোচ তিতেকে কিছু ক্ষণের জন্য একটু বিরক্ত দেখাল। প্রসঙ্গ সেই ‘পিজিয়ন ডান্স’, যা দক্ষিণ কোরিয়া ম্যাচে প্রতিটি গোলের পরে দেখা গিয়েছে এবং তিতেও যেখানে অংশ নিয়েছেন।

রয় কিনের মতো কিছু কিছু প্রাক্তন ফুটবলার এই নাচকে বিপক্ষের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রকাশ বলে অভিহিত করেছেন। এ দিন তিতে ফের তার বিরোধিতা করলেন। বলেছেন, “কে কী বলল তাতে সত্যিই আমাদের কিছু যায় আসে না। এটা ব্রাজিল দল এবং আমি তার কোচ। যারা ব্রাজিলের ইতিহাস এবং সংস্কৃতি জানে না, তাদের কথার জবাব দিতে চাই না। ব্রাজিলের সংস্কৃতিকে আমি সমীহ করি। ব্রাজিলীয় সংস্কৃতিতে কাউকে অশ্রদ্ধা করার কোনও জায়গা নেই। এ ভাবেই আমরা বাঁচি।”

এ টুকু বলেই ম্যাচের মধ্যে ঢুকে গেলেন ব্রাজিলের কোচ। বলে দিলেন, ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণ এবং ম্যাচ টাইব্রেকারে টেনে নিয়ে যাওয়ার প্রবণতা তাঁকে ভাবাচ্ছে। তিতের কথায়, “ওদের টেকনিক্যাল জ্ঞান অনেক ভাল। ব্যক্তিগত নৈপুণ্য রয়েছে। ধৈর্য রাখতে পারেন এবং উচ্চ পর্যায়ে খেলার জন্য যেটা দরকার সেটা রয়েছে। তবে আমরা আগের ম্যাচে যে ভাবে খেলেছি, সেটাই বজায় রাখতে চাই। যারা ভাল খেলবে তারাই জিতবে।”

ডিফেন্ডার আলেক্স সান্দ্রো এখনও ফিট নন। বৃহস্পতিবার তিনি অনুশীলন করেছেন। তবে ম্যাচে খেলতে পারবেন কিনা নিশ্চয়তা নেই। সে ক্ষেত্রে দক্ষিণ কোরিয়া ম্যাচে যে দল নেমেছিল, সেই দলই নামতে পারে ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে। অর্থাৎ প্রথম একাদশে থাকবেন অ্যালিসন, এদের মিলিটাও, থিয়াগো সিলভা, মার্কুইনোস, দানিলো, কাসেমিরো, লুকাস পাকুয়েতা, রাফিনহা, রিচার্লিসন, নেমার এবং ভিনিসিয়াস। সান্দ্রো খেললে দানিলোকে বসতে হবে।

সান্দ্রো সম্পর্কে তিতে বলেছেন, “ও দুপুরে অনুশীলন করবে। তবে না খেলার সম্ভাবনাই বেশি। ওর চোট একটু আলাদা। ফেরার আপ্রাণ চেষ্টা করছে। এখনও কিছু কাজ বাকি। ডাক্তাররা অনুমতি দিলে তবেই ও খেলতে পারবে। আমরা সব সময় ফুটবলারদের আত্মবিশ্বাস জোগাই যাতে ওরা ভাল খেলতে পারে। চাপের মুখেও তাই ভাল খেলার সাহস পায় ওরা। ঝুঁকি নিতেও পিছপা হয় না। এই ধরনের ফুটবলেই আমি বিশ্বাস করি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *